Breaking News
Home / কবিতা / রবিবারের সান্ধ্য কবিতার আসর

রবিবারের সান্ধ্য কবিতার আসর

বাবা
অ নি র্বা ণ পা ল

বাবার হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে কখনও নদী হয়ে যাই!
কখনও গাছ হয়ে কাঁদি শুধু কাঁদি

আবার বাবাকেই বই মনে করে-
শুধু পাঠক হয়ে যাই
মাইলের পর মাইল
যেখানে জীবন বসে আছে খালি গায়ে,
হলুদ ঝিঙে ফুলের শরীরে!
অনির্বাণ পাল
কেনা বার্ধক্য
প্র তি মা রা য় বি শ্বা স
ওই যে দেখছো তালগাছ মাথার উপর যার আকাশ ওড়ে সারাদিন
নিচে তার আবছা দেখা যায় ওই বছর-ঘেরা সারিসারি খুঁটি…
ঐখানেই ওই তালগাছটার নিচে …কেনা আছে আমার বার্ধক্যের জমি।
কুপিয়ে কুপিয়ে আমিও রেখেছি ওখানে গাঁটের ব্যথা ,সুগার,আবছা আবছা দৃষ্টি ।
জবুথবু জড়ো করা কিছু স্মৃতিকথা ,কিছু প্রজন্মের কাছে উপদেশ,আকুতি
ওরাই সার।
ছড়াবো।
যদি কোনো বীজ শুষে নেয় , সেও কিনে নেবে তবে গোধূলির কাছে , প্রজন্মের কোনো জমি।
প্রতিমা

প্রচ্ছদ
রা জে শ চ ন্দ্র দে ব না থ

কালগঙ্গা ছুঁয়ে অক্ষর জ্যোৎস্না
ছিটিয়ে দেয় প্রজাপতি জ্ঞান
জানালার একযোগ জলের পাখনায়
মহামতি খুঁজে প্রচ্ছদের কাকতাড়ুয়া
রাজেশ
নিচু জানলার শহর
মা নি ক সা হা

জানলাগুলি নিচু হয়ে হাঁটছে
তাদের পর্দা ধরে দাঁড়িয়ে আছো তুমি ও একাকিত্ব

সে ফুল ফোটার সময় এসেছিল
আজ আবার ফুল ফোটাবার দিন
তুমি মশৃণ সময় নিয়ে ঘর বাঁধতে চেয়েছিলে
যার এক পাশে কাচের সৈকত আর এক পাশে
সুনীল টি-পটে রাখা সোনালি তরল…

অথচ জানলাগুলি নিচু হয়ে হাঁটছে
পর্দায় তোমার চোখ অন্য কারো চোখের অপেক্ষায়
দিনকে রাত বানিয়ে ভরে নিচ্ছে চোখের মণিতে
মানিক সাহা

আরও পড়ুন: রবিবারের গল্প ‘স্বপ্নে ওড়ে কল্পনা

Check Also

রাজস্থানের ভৌতিক গ্রাম

রাজস্থানের রহস্যময় কিরারু গ্রাম

দেবশ্রী চক্রবর্তী: ভারতবর্ষের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একখন্ড মরুপ্রান্তরের আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে রহস্য এবং রোমাঞ্চ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *