Breaking News
Home / জানা অজানা / ভারতে দিন দিন বাড়ছে জিগোলো বা পুরুষ যৌন কর্মীর সংখ্যা

ভারতে দিন দিন বাড়ছে জিগোলো বা পুরুষ যৌন কর্মীর সংখ্যা

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: ভারতে জিগোলো বা পুরুষ যৌনকর্মীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যারা জিগোলো তাদের জন্যে অর্থ আয় করার এটি একটি খুব সহজ পন্থা। একটি অনলাইন গবেষণা বলছে, সারাদেশে জিগোলো ব্যবসা খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে সৌখিন মানুষদের কাছে। ক্লায়েন্টদের থেকে কাজের শেষে হাতে মোটা অংকের অর্থ পাওয়ার কারণে যুবকরা বেশি আকর্ষিত হচ্ছে এই পেশায় বলে জানা যাচ্ছে মিডিয়া রিপোর্ট থেকে। চলুন জেনে নিই, কিভাবে সারাদেশে এদের বাজার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
ভারতের জিগোলো
দিল্লির এমন ক’য়েকটি জায়গা আছে যেখানে রাত্রি দশটার পরে জিগোলো মার্কেট শুরু হয়। যেখানে বড়লোক ও সৌখিন মহিলারা এদের দাম দিয়ে নিয়ে যান। যদিও গ্রামে-গঞ্জে এদের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। কিন্তু দিল্লির কিছু জায়গায় এরা প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। দিল্লির এসব জায়গাগুলি সরোজিনী নগর, লাজপত নগর, পালিকা মার্কেট ও কমল নগর মার্কেট প্রভৃতি।এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে রাত হলেই ছেলেদের দেহ বিক্রির পেশা শুরু হয়ে যাচ্ছে ইদানিং। যদিও পুলিশের চোখে ধুলো দিয়েই রাতের অন্ধ করেই চলে পুরুষদের এই দেহ ব্যবসা। তবুও একটি পরিকল্পনা মাফিক পদ্ধতি মেনে সবকিছু হয় বলে জানা গেছে। তাদের উপার্জনের কিছু অংশ ব্রোকারদের(দালাল) দিতে হয়।

কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, কিভাবে মহিলারা চিনতে পারেন এই জিগোলোদের? মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, পুরুষদের গলার মাফলার বা স্কার্ফ পরা দেখেই আগ্রহী মহিলারা বুঝে ফেলেন। এটি জিগোলোদের সাধারণ পরিচিতি। জিগোলোরা সাধারণত রাত দশটা থেকে সকাল চারটে পর্যন্ত ব্যবসা করে থাকেন। এছাড়াও কিছু জিগোলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন অ্যাডের মাধ্যমে নিজের ক্লায়েন্টদের সন্ধান করেন।
আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন, জিগোলোরা কাস্টমারের ইচ্ছে পূরণ করার জন্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতেও আপত্তি করেন না। এরা নিজেকে (Hospitality Guy) হিসেবে পরিচিত করে তুলেছেন।
আরও পড়ুন: সানিয়া মির্জা গর্ভবতী; শোয়েব সানিয়াকে প্রশ্ন আপনাদের বাচ্চা ভারতীয় না পাকিস্তানি?

Check Also

পূজার সাজ

বাংলা টিভি সিরিয়ালের পোশাক কি এবারও পুজো মাতাবে?

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ। পূজো আসছে। আর তো হাতে মাত্র কয়দিন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *