Breaking News
Home / জাতীয় / হাসপাতালে বিকালঙ্গ মেয়ের প্রেমে পড়া মাত্রই কোলে তুলে নিয়ে সাত পাকে বাধা পড়লেন

হাসপাতালে বিকালঙ্গ মেয়ের প্রেমে পড়া মাত্রই কোলে তুলে নিয়ে সাত পাকে বাধা পড়লেন

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: কথায় আছে প্রেম করার জন্যে মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া অত্যান্ত জরুরী। অর্থাৎ নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, আমার কি প্রেম করার সময় হয়েছে? কারন ভালোবাসা একটি প্রতিজ্ঞা। তাই প্রতিজ্ঞা পালনে নিজের মনকে প্রথমে সঠিক দিশা দেখাতে হয়। না হলে জীবনটা ওলট পালট হয়ে যেতে পারে।

অমিত ও রানুর প্রেম কাহিনী যেমন আর পাঁচ জনের চাইতে আলাদা। তেমনই তাদের ভালোবাসাও নিখাদ। তাদের দুজনের ভালোবাসা প্রমাণ করে যে, প্রেম কখনও প্রতিকূল পরিস্থিতি, সমাজ, রীতিনীতি এই সবের ধার ধারে না। এই ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার হিসারে।

অমিত মাধ্যমিক পাশ করেছে। পেশায় সে একজন বিল্ডিং মেকানিক। কিছুদিন আগেই রানু নামের এক বিকালঙ্গ মহিলার প্রেমে পড়েন অমিত। রানু উঠে দাড়াতে পারে না। এমনকি হাতেও কিছু কাজ করতে পারে না। কিন্তু সে একজন শিক্ষিত মহিলা। রানু গ্র্যাজুয়েট। অমিত ও রানুর মধ্যে পরিচয় হয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে এসে। অমিতের পরিবার রানুকে বিয়ে করার পক্ষপাতি ছিল না। কিন্তু অমিত সকল বাধা অতিক্রম করে রানুকে বিয়ে করেন। যেহেতু রানু চলফেরা করতে পারেন না, তাই তাকে কোলে নিয়ে সাত পাক সম্পূর্ণ করেন।
প্রেম
যেহেতু এই বিয়ের বিপক্ষে ছিলেন অমিতের পরিবার তাই ‘সনাতন চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ বিয়ের সমস্ত দায়িত্ব পালন করে। অমিত বলেন, আমি ‘সেবক সভা হাসপাতাল’-এ বিল্ডিংয়ের কাজ করতে যেতাম সেখানেই রানু ভর্তি ছিল। তার মা-বাবা ছিল না। রানুকে প্রথম দেখাতেই আমি প্রেমে পড়ে যায়। হাসপাতালে তার দেখাশুনা করতাম আমি। রানুও অমিতের ব্যবহার দেখে প্রেমে পড়ে যান।

সেখানে উপস্থিত সকলে জানান যখন অমিত রানুকে কোলে নিয়ে সাত পাকে বাধা পড়েন তখন উপস্থিত সকলেই দু-হাত তুলে আশির্বাদ করেন এই দুই প্রেমিক যুগলকে।
আরও পড়ুন: বাস্তবেই পায়ের নিচের মাটি সরে গেল! হাড়হিম করা ভিডিও

Check Also

গঙ্গাধর রাউত

১৪ বছরেও কাজ শেষ হচ্ছিল না, তাই বৃদ্ধ বয়সে সমস্ত সঞ্চয় দিলেন সেতু নির্মাণে!

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল ঘোরাফেরা করে কিন্তু কাজের কাজ …