Breaking News
Home / জাতীয় / নিজের মন ভালো রাখতে পাঁচ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন খাবার খাওয়ান এই ব্যক্তি

নিজের মন ভালো রাখতে পাঁচ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন খাবার খাওয়ান এই ব্যক্তি

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: পৃথিবীকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে আমরা সকলেই চাই কিন্তু কেউই এগিয়ে আসি না সেই সুন্দর পৃথিবীকে তৈরি করার জন্য। আবার সমাজের বুকে অনেক ধরনের মানুষ থাকেন যারা একাই এগিয়ে যায় সমাজকে গড়ার জন্যে। অনুপ খান্না এমনই একজন যিনি ৫ টাকার বিনিময়ে পেট ভর্তি করে মানুষকে খাওয়ান।যে দেশে প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হুঁ হুঁ করে বাড়ে। সেই দেশে মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে একজন মানুষকে খাওয়ানো কত কষ্ট সাধ্য ব্যাপার, ভেবেছেন কখনও।

নয়ডা সেক্টর-১৭ এবং সেক্টর-২৯ ‘দাদি কি রাশই’ নামের দুটি স্টল চালান তিনি। যেখানে যে কোনো মানুষ পাঁচ টাকার বিনিময়ে খাবার খেতে পারেন। স্টলের সামনে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে সেখানে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে রিকশাচালক পর্যন্ত সকলেই ৫ টাকার বিনিময়ে খাবার খাচ্ছেন। অনুপ খান্নার এই সুন্দর প্রচেষ্টা দেখার পর সমাজের নানা স্তরের মানুষও এখন এগিয়ে আসছেন। যদি পরিবারের কারও মৃত্যুবার্ষিকী অথবা জন্মদিন হয় তবে তারাও অনুপ খান্নাকে সাহায্য করে থাকেন।
দাদি কি রসই
ভাবছেন পাঁচ টাকার বিনিময়ে খাবার দিচ্ছে বলে খাবারের গুণমান নিম্নমানের? এখানে বাসমতি চাউল দিয়ে খাবার তৈরি হয়। খাবার শেষে চাটনীর ব্যবস্থাও থাকে। সঙ্গে থাকে অ্যাকোয়া ফ্রেশ জলের ব্যবস্থাও। পাঁচ টাকার খাবার খেতে গেলে হেলমেট ছাড়া যাবেন না। তাতে অনুপ খান্নার স্টল থেকে আপনাকে ফিরে আসতে হবে। নিজের উদ্যগেই স্টিলের ডাস্টবিন তৈরি করেছেন, যাতে খাবার খাওয়ার পর মানুষ সেই ডাস্টবিন ব্যবহার করেন। তিনি সমাজকে শিক্ষা ও খাবার দুটোই দিতে চান।

তাছাড়াও সকলে পুরনো জামা কাপড় তার কাছে পৌঁছে দেয়। সেই জামাকাপড়গুলি সুন্দরভাবে পরিস্কার করে প্যাকেট করে রেখে দেন। যাতে অন্যদের দেয়া যায়।

অনুপ খান্নার এই সমাজ সেবা মূলক কাজ শুরু করেছিলেন ২১ আগস্ট ২০১৫ সালে। সেদিন ছিল তার জন্মদিন। অনুপ খান্নার মতে, দেশ থেকে সংরক্ষণ ও ফ্রী দেওয়া বন্ধ করে দেয়া উচিত। তাতে সমাজের কল্যাণ হবে। তিনি জানান, আমার এখানে কোনো ভিক্ষুক এসে ফ্রী খাবার চায়না। তারাও পাঁচ টাকা দিয়ে খাবার খায়। এই স্টলে সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ আসেন। কিন্তু কেন পাঁচ টাকার বিনিময়ে খাবার খাওয়ান? তিনি জানান, নিজের মন ভালো রাখতেই এই ব্যবস্থা। আমি আনন্দ পাই এই কাজটি করার পর।
আরও পড়ুন:মেয়ে হলে ফি নেন না, উপরন্তু মিষ্টি বিতরণ করেন এই মহিলা ডাক্তার

Check Also

গঙ্গাধর রাউত

১৪ বছরেও কাজ শেষ হচ্ছিল না, তাই বৃদ্ধ বয়সে সমস্ত সঞ্চয় দিলেন সেতু নির্মাণে!

সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল ঘোরাফেরা করে কিন্তু কাজের কাজ …