সবার খবর, ওয়েব ডেস্ক: ভারতে অনেক জায়গা আছে, যার সৌন্দর্যের কাছে সুইজারল্যান্ডও হার মানে। এমনই এক জায়গা নাম কৌসানি, যা মিনি সুইজারল্যান্ড নামেও পরিচিত। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর জেলায় 6075 ফুট উঁচুতে অবস্থিত কৌশানি হিল স্টেশান। স্থানটির সৌন্দর্যের কারণে লোকে যায়গাটিকে ভারতের সুইজারল্যান্ড বলেন। কৌসানি পৌঁছানোর পর, আপনি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে 350 কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে পড়া হিমালয় পর্বতমালা দেখার সুযোগ পাবেন। আজ আমরা কৌসানি সম্পর্কে আপনাদের বলব, এখানে যে সব সৌন্দর্য আপনাকে হাত ছানি দিয়ে ডাকবে তার ব্যাপারে।

সবুজ পাইন বনের ঘন জঙ্গলে সুন্দরভাবে সজ্জিত করা আছে যা আপনাকে মুগ্ধ করবেই। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, এখানে আদি কৈলাশ আছে এবং যেখানে হিন্দুদের প্রভু শিব এবং বিষ্ণু বাস করতেন। চাইলেই আপনি কৌসানি খুব সহজেই পৌছতে পারবেন। ঠান্ডা পানির ঝরনা খুব উঁচু থেকে পড়ে। যা খুবই মনোরম একটি দৃশ্য। এখানকার অনাশক্তি আশ্রমকেই গান্ধী আশ্রমে নামে ডাকা হয়। ১৯২৯ সালে, প্রায় দুই সপ্তাহ এই আশ্রমেই ছিলেন মহাত্মা গান্ধী। এই সময় তিনি ‘অনাশক্তি যোগ’ নামে একটি গ্রন্থ লিখেছিলেন। আশ্রমের এক অংশে যাদুঘরও আছে।

যদি কৌসানির আসল সৌন্দর্য দেখতে চান তা হলে ‘টি এস্টেট’ অবশ্যই যেতে হবে। এখানে মানুষ প্রকৃতির খুব কাছাকাছি নিজেকে অনুভব করে। চা বাগান ২১০ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত আছে। চা পানকারীদের জন্য অবশ্যই এটি একটি চমৎকার জায়গা। এখানকার বিভিন্ন ধরনের চা পাতার স্বাদ আপনার মন আরও ভরিয়ে তুলবে। সেরা চা পাতা ‘গিরিয়াস টি’ এখানেই উৎপন্ন হয়। এছাড়াও, অরগ্যানিক চা ও এখানে পাওয়া যায়। কিছু চা পাতা যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও কোরিয়াতেও রপ্তানি করা হয়।

চায়ের সাথে ‘আলু গুটকা’ খুবই প্রিয়। সেদ্ধ আলুতে লবন এবং মরিচ দিয়ে তৈরি করা হয় আলু গুটকা। এখানকার ‘বল মিষ্টি’ তো সবার প্রিয়। দেখতে একদম চকলেটের মতো হয়। এই মিষ্টির গায়ে চিনির দান লেগে থাকে।

কৌসানীতে জন্ম গ্রহন করেন বিখ্যাত হিন্দি কবি সুমিত্রা নন্দন। কৌসানীর ওপর তিনি অনেক সুন্দর সুন্দর কবিতাও রচনা করেন।
আরও পড়ুন: উড়ন্ত বিমানে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে এই সংস্থা
Check Also
রবিবারের ছোটগল্প চাঁদ ছোঁয়ার গল্প লিখেছেন সাগরিকা রায়
ছোটগল্প Illustration: Preety Deb কচু গাছের আড়ালে দাঁড়ালেও চান্দু নিজেকে বেশ লুকোতে পারে।গজু বলে, ভাই …
সবার খবর সব সময় বাংলা খবর